Sandeswartala

Sandeswartala: ভাগীরথীর জল থেকে মন্দির, বর্ণময় ইতিহাসের আবর্তে ষণ্ডেশ্বরতলা

কালের নিয়মে প্রাচীনত্বের ধুলো পড়লেও সেসবের আদি অকৃত্রিম ভাব এতটুকুও নষ্ট হয়নি। তবে সংরক্ষণের সময় কিন্ত চলে যাচ্ছে। এমন আদরণীয় ইতিহাসের অংশ হল হুগলির ষণ্ডেশ্বরতলা (Sandeswartala)।

Eid Mubarak

Eid Mubarak 2020: ঈদ মুবারক, লকডাউনে বাড়িতে থেকে Whatsapp Facebook Twitter-এ পরিজনদের পাঠান ঈদের শুভেচ্ছা বার্তা

এক মাসের রোজা শেষে আজ খুশির ঈদ (Eid Mubarak 2020)। এদিন সবাইকে মিলে খুশি হওয়ার দিন। তবে মহামারী করোনাভাইরাস ও ঘূর্ণিঝড় উমপুনের (Cclone Amphan) দাপটে গোটা বাংলা আজ বিপর্যস্ত। ঈদের দিনেও কত মানুষ চোখের জল ফেলছে। ঝড়ে হারিয়েছে মাথার ছাদ, পরনের কাপড়।

Eid Mubarak

Eid Greetings 2020: রাত পোহালেই খুশির ঈদ, বাড়িতে বসেই ফেসবুক হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে প্রিয়জনদের পাঠান শুভেচ্ছা কার্ড, দেখুন ভিডিও

৩০ দিনের রমজান শেষে আকাশে এখন ঈদের চাঁদ উঠেছে। রাত পোহালেই ঈদ-উল-ফিতর (Eid Greetings 2020:) । খুশির ঈদ। কিন্তু কোভিড-১৯ এর সংক্রমণ রুখতে বাড়িতেই থাকতে হবে।

Santiniketan

Rabindranath Tagore: ১৩৪৮-এর ১লা বৈশাখ, অসুস্থ শরীরে নিজের শেষ জন্মদিনের উৎসবে এলেন রবীন্দ্রনাথ

সেবারের জন্মোৎসবে গুরুদেব Rabindranath Tagore উত্তরায়ণের উত্তরদিকে প্রতিষ্ঠা করলেন পঞ্চবটী, সেটাই ছিল “বৃক্ষরোপণ” অনুষ্ঠানের সুচনা যা আজও অব্যাহত। তবে বৈশাখের বদলে তা গুরুদেবের তিরোধান দিবস বাইশে শ্রাবণে। রবীন্দ্রনাথ শেষ জন্মদিনে রচনা করলেন জন্মদিনের গান। হে নূতন দেখা দিক আর-বার জন্মের প্রথম শুভক্ষণ।

Santiniketan

শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্রনাথের প্রথম জন্মদিন পালিত হয় ১১০ বছর আগে

[…]

Upasana Griho

২৫ বৈশাখ ও স্মৃতির মোড়কে শান্তিনিকেতন

আমরা সবাই জানি শান্তিনিকেতনে রবীন্দ্র জন্মোৎসব পয়লা বৈশাখ পালিত হত তারপর গরমের ছুটি পড়ত। পরে নিয়মের পরিবর্তন আসে। ২০০৭-এ এই পবিত্র দিনেই আমার জীবনের প্রথম বিদেশযাত্রা। সকালে সাতটায় মন্দির। পৌঁছাতে দেরি হয়ে যাওয়ায় ধমক খেয়েছিলাম। মন্দিরের দাঁড়িতে ছিলেন বুলবুলদি (বুলবুল বসু)। বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ থেকে রবীন্দ্রনাথের একটি দুষ্প্রাপ্য আলোকচিত্র ও পাণ্ডুলিপির একটি পাতার প্রতিলিপি নিয়ে “২৫ বৈশাখ” নামে সুদৃশ্য কার্ড ছাপা হত। এছাড়াও পয়লা বৈশাখ, ৭ই পৌষেও কিছু পাওয়া যেত।

Gurudev

“আজ প্রাতে আমার জন্মদিন উৎসব”

এক কিশোরীর হাতের থালায় একজোড়া ধুতি-চাদর, নিজের হাতে গাঁথা বকুল ফুলের মালা, বাজার থেকে কিনে আনা বেলফুলের মালার সাথে আরো কিছু ফুল। সেই কিশোরী উল্টোডিঙির বাগান বাড়ি থেকে নিঃশব্দে পার্কস্ট্রাটের বাড়িতে এসে প্রবেশ করল তার মামার ঘরে। তিনি তখনও ঘুমিয়ে। ফুল, মালা ও কাপড় সযত্নে মামার পায়ের কাছে রেখে কিশোরীটি প্রণাম করল। তারপর সেই অসামান্য রূপবান পুরুষকে মৃদুস্বরে ঘুম থেকে জাগিয়ে বলল, “আজ তোমার জন্মদিন’।

Bengali New Year

পৃথিবী কবে সুস্থ হবে? এই বৈশাখে স্বপ্ন দেখি…

অনেকদিন পর ফের চিঠি লিখতে বসেছি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ইতিহাস বইয়ের পাতায় পড়েছি। তারপরও যুদ্ধ হয়েছে। কখনও দেশ দখলের লড়াই কখনও ক্ষমতা দখলের লড়াই। দুর্বলের উপরে সবলের অত্যাচার দেখতে দেখতেই শৈশব থেকে পেরিয়েছে কৈশোর। যৌবনেও দেখেছি যুদ্ধ। সন্ত্রাসবাদের কালোছায়া আমাদের সর্বদা ঘিরে রাখে। আতঙ্কের প্রহর গুনি নিশিদিন। এই বোধহয় কেউ ব্যাগভর্তি আইইডি রেখে গেল বাসের সিটের নিচে। বড়সড় মেলায় যেতেও আজকাল বেশ ভয় করে। কী জানি বাবা, যদি বোমায় উড়ে যাই।

Bengali New Year

স্মৃতির সরণি বেয়ে পয়লা বৈশাখ

তোকে ছুঁতে না পারার আক্ষেপ নিয়েই ঝরে যাচ্ছে বসন্ত। একে কি অকাল বসন্ত বলব?  সে যা হোক কিছু একটা ভেবেই নিস। মনের মতো ব্যাখ্যা সাজিয়ে রাখিস তোর বছর পয়লার খেড়োর খাতায়। তবে খেড়োর বাহুল্যে বদল আনিস না যেন। এখন তো তোর আমার মাঝে সম্প্রীতির বেড়াজাল উঠেছে। কালের স্রোতে ভেসে গিয়ে খেড়োর খাতা যেন গৈরিক না হয়, সেদিকে খেয়াল রাখিস। আচ্ছা হালখাতার সঙ্গে তোর চিরকালীন বৈরীতা ঘুঁচলো?  নাকি সদরে তালা ঝুলিয়ে তাকে জবাব দিয়েছিস?  গাজনের মেলায় গিয়ে ধরম ঠাকুরের থানে কিছু চাইলি কি আমার জন্য ?  থাক এসব বলে তোকে আর বিব্রত করব না। আসমানি রঙা পাঞ্জাবিটা পরিস না। ওটায় বড় ন্যাপথেলিনের গন্ধ। সকাল সকাল হোয়াটসঅ্যাপে ভিডিও পাঠিয়ে শুভেচ্ছা জানানোর কেতা আমায় দেখাতে হবে না। ওটা তোর শহুরে স্বজনের জন্য তুলে রাখ। পাট ভাঙা পাঞ্জাবি পরে, এক খিলি মিঠে পান মুখে দিয়ে পারলে একটা চিঠি লিখিস। চিঠিটা যেন মিঠেকথাতেই পূর্ণ থাকে। চিন্তা করিস না, চিঠি যদি ভারতীয় ডাক বিভাগের কল্যাণে আষাঢ়স্য প্রথম দিবসে এসেও পৌঁছায়, তাতে ক্ষতি নেই। বৃষ্টি দেখতে দেখতে না হয় তোর বৈশাখী চিঠিখানা খুলে বসব।

Holi

দোল বনাম হোলির বিড়ম্বনা, কোন রঙে ফিরছে মন?

হোলিতে মেতে উঠেছে বাঙালি। শুধু বাঙালিই বা বলি কেন রঙের উৎসবে বর্ণিল গোটা ভারতবর্ষ। এবার প্রশ্ন উঠতে পারে হোলি আবারি কি, দোল বলুন না। বাঙালির প্রিয় বসন্ত উৎসব তো কবিগুরুর হাত ধরেই এসেছে, তার আগে লোকজন দোল খেলত। বিভিন্ন ভাষাভাষির দেশ ভারতে দোলের রীতি রেওয়াজও বর্ণময়। তাই অবাঙালিরা আজকের দিনে হোলিতে মেতে ওঠেন। অন্যদিকে মায়াপুরের দোল কিন্তু পুরোপুরি ধর্ম কেন্দ্রিক। শান্তিনিকেতনের বসন্ত উৎসব আবার অনেকটা মিলন মেলার মতো। স্থান ভেদে দোলের রূপ বৈশিষ্ট সবই বদলেছে। তবে আক্ষরিক অর্থটা একই থেকে গিয়েছে। এই ডামাডোলের বাজের এক মুঠো রং যদি খুশি আনে, ক্ষতি কি!