Cyclone Nisarga

Cyclone Nisarga: ঘূর্ণিঝড় নিসর্গের তাণ্ডবে কাঁপছে মহারাষ্ট্র, দিশেহারা মুম্বই

বাংলায় এখনও টাটকা ঘূর্ণিঝড় উম পুনের ক্ষত। এর মধ্যেই দেশের মহারাষ্ট্র উপকূলে আছড়ে পড়ল দ্বিতীয় ঘূর্ণিঝড় নিসর্গ (Cyclone Nisarga)। বুধবার বেলা একটা বাজতেই আলিবাগ এলাকায় নিসর্গের ল্যান্ডফল হয়। সেখানে এখন ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার।

Tobacco Day 2020

Tobacco Day 2020: বিশ্ব তামাক দিবসে আসুন ধূমপায়ীদের না বলি

বিশ্ব তামাক দিবস ২০২০, (Tobacco Day 2020) ধুমপান (Smoking) স্বাস্থ্যের পক্ষে ক্ষতিকর। সিগারেটের প্যাকেটের সাবধান বাণী উপেক্ষা করেই তার বিক্রি বাড়ছে হু হু করে। সুখটানেই সুখ খুঁজে নেয় ধুমপায়ী।

Migratory Birds

পাখি গণনা, এবার পরিযায়ী পাখির আদমশুমারী করছে কন্যাকুমারীর বনদপ্তর; কেন জানেন?

পরিযায়ী পাখি, মন ভাল করা একটা বিষয়। পাখি দেখতে আমাদের কত না ভাল লাগে। তবে সভ্যতার ক্রমউন্নয়নে সেই পাখিরাও এখন হারিয়ে যাচ্ছে। আমি, আপনি, আমরা যেমন মাথার উপরে ছাদ ছাড়া একটা দিনও জীবনধারণ করতে পারব না সুষ্ঠুভাবে। ঠিক তেমনই পাখিরাও গাছ ছাড়া বাঁচবে না। এ তথ্য সকলেরই জানা, তবুও প্রতিদিন কত না গাছ কাটা পড়ছে। যত না প্রয়োজনে তার থেকে অনেক বেশি অপ্রয়োজনে। লোভের কাছে প্রতিদিন মাথা নত করছে সভ্যতার শ্রেষ্ঠ প্রাণী মানুষ। লোভের করাল গ্রাসে বিলীন হয়ে যাচ্ছে বনভূমি। নিজের লোকালয়েই দেখুন না, পাঁচ বছর আগে যত গাছপালা ছিল এখন কী আছে?

Santiniketan

মুঠো আবীরে ধামসা মাদলের তালে রঙীন বোলপুর, ডাকছে বাউলে বসন্ত উৎসব

বসন্ত এসে গেছে, আকাশে বাতাসে প্রেমের হাতছানি। ফাল্গুনকে রাঙিয়ে দিতে কবিগুরুর শান্তিনিকেতনে পলাশ, শিমুল, কৃষ্ণচূড়া, রাধাচূড়া-সহ হরেকরকম ফুলের মেলা। প্রকৃতির সঙ্গে নিজেকেও রাঙিয়ে নেওয়ার সময় এসে পড়েছে প্রায়। আর মেঠো ফাগুনের আমন্ত্রণে এবারেও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের ডালি নিয়ে বোলপুরে হাজির ইন্ট্রাভেনাস এন্টারটেনমেন্ট। বোলপুরকে আরও একটু কালারফুল করতে, সেই সঙ্গে একটু রঙের ছোঁয়ায় বছরভরের ক্লান্তি ভুলতে আপনাকে আসতে হবে সায়রবীথির বাউলে বসন্ত উৎসবে। আগামী ৬ মার্চ থেকে ১১ মার্চ বোলপুরের তালতোড়ের সায়রবীথি কালচারাল পার্কে, প্রতিবারের মতো এবারেও দোল উপলক্ষে থাকছে একঝাঁক অনুষ্ঠান।

Kolkata

মায়ের জন্মদিনে সুরেলা সন্ধ্যা, কথায় গানে বৈঠকী আড্ডায় আরজে শ্রী

বসন্ত মানেই প্রেমের যাপন। আর এই প্রেম তো শুধু দুটি মানুষের মধ্যে হতে পারে না। সময় বিশেষে প্রেমের ধরণ বদলায়। আমার প্রিয় দক্ষিণের জানলা যেমন, দাদুর বাড়িতে বেড়াতে গেলেই মনে হত প্রেমিকার কাছে চলেছি। আমার সবটুকু ভালবাসা দখল করেছিল ওই জানলা। ফাগুন এলেই কৃষ্ণচুড়া একেবারে সেজেগুজে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসত। জানলার বাইরেই তার অবস্থান। বাগানের গাছাগাছালির মাঝে একেবারে লাল টুকটুকে রাঙাবউ। এ-তো প্রেম। মায়ের প্রতি সন্তানের ভালবাসা বিশ্বজনীন। মা-মানেই আঁচলে হলুদের দাগ, মা মানেই ভরসার কোল। যেখানে মাথা রাখলে দুঃখও বলে, তোকে ছুটি দিলাম। মা আবার দেশের মাটিও। যার টানে নির্ভাবনায় জীবন দিতে তৈরি হয়ে যা বিপ্লবী ছেলেরা। মায়ের শিকল বাঁধা পা দেখতে কেই বা চায় বলুন। সেই মায়ের জন্মদিনেই গানে কথায় বৈঠকী আড্ডা।

এ যেন জমিদারবাড়ি, রিয়েলটেকের প্রকল্পে রাজারহাটে এবার ফেডারেল ব্যাংক

রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে রিয়েলটেক নির্মাণ প্রাইভেট লিমিটেড। তাদের প্রতিটি প্রকল্পই দারুণভাবে সফল, একথা বলতেই হবে। এবার রিয়েলটেকে প্রকল্পের জমিতেই তৈরি হল ফেডারেল ব্যাংকের শাখা। রাজারহাটে ফেডারেল ব্যাংক তার ১৮-তম শাখাটি খুলেছে রিয়েলটেক-এর নয়া প্রকল্প চৌরাস্তার জমিদারি-তে। হ্যাঁ জমিদারিই বটে, কেননা ব্যাংক যদি আদ্যপান্ত জমিদারবাড়ি হয়, তাতে তো কোনও ক্ষতি নেই। বরং বেশ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। শহর কলকাতায় ফেডারেল ব্যাংক কোনও নতুন নাম নয়, তবে এর পরিষেবা যিনি একবার গ্রহণ করেছেন, তাঁর কাছে ফেডারেল ব্যাংকের থেকে প্রিয় কিছুই হতে পারে না। এনআরআই বাঙালির আত্মজন এই ফেডারেল ব্যাংক। আর রাজারহাট শাখাটি তো হবহু ব্যাংক নয় একেবারে খানদানি জমিদারবাড়ি। মনই চাইবে একবার ঢুকে পড়ি। চলুন দেখে আসি, ফেডারেল ব্যাংকের এই শাখায় ঠিক কি কি সুবিধা থাকছে।