এ যেন জমিদারবাড়ি, রিয়েলটেকের প্রকল্পে রাজারহাটে এবার ফেডারেল ব্যাংক

রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে রিয়েলটেক নির্মাণ প্রাইভেট লিমিটেড। তাদের প্রতিটি প্রকল্পই দারুণভাবে সফল, একথা বলতেই হবে। এবার রিয়েলটেকে প্রকল্পের জমিতেই তৈরি হল ফেডারেল ব্যাংকের শাখা। রাজারহাটে ফেডারেল ব্যাংক তার ১৮-তম শাখাটি খুলেছে রিয়েলটেক-এর নয়া প্রকল্প চৌরাস্তার জমিদারি-তে। হ্যাঁ জমিদারিই বটে, কেননা ব্যাংক যদি আদ্যপান্ত জমিদারবাড়ি হয়, তাতে তো কোনও ক্ষতি নেই। বরং বেশ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। শহর কলকাতায় ফেডারেল ব্যাংক কোনও নতুন নাম নয়, তবে এর পরিষেবা যিনি একবার গ্রহণ করেছেন, তাঁর কাছে ফেডারেল ব্যাংকের থেকে প্রিয় কিছুই হতে পারে না। এনআরআই বাঙালির আত্মজন এই ফেডারেল ব্যাংক। আর রাজারহাট শাখাটি তো হবহু ব্যাংক নয় একেবারে খানদানি জমিদারবাড়ি। মনই চাইবে একবার ঢুকে পড়ি। চলুন দেখে আসি, ফেডারেল ব্যাংকের এই শাখায় ঠিক কি কি সুবিধা থাকছে।

রাজারহাটের ফেডারেল ব্যাংকের নতুন শাখাটিতে গ্রাহকদের জন্য থাকছে বিবিধ সুবিধা। একেবারে অত্যাধুনিক এটিএম পরিষেবা থেকে শুরু করে সিডিএম-এর সুবিধা। গ্রাহককে স্বাচ্ছন্দ দিতে থাকছে মাল্টিফাংশনাল কিয়স্ক। পাশবই আপটুডেট করার জন্য কাউন্টারে গিয়ে ব্যাংককর্মীদের কাছে হত্যে দেওয়ার দিন শেষ হয়েছে। কারণ অটোমেটিক পাশবুক প্রিন্টার রয়েছে ফেডারেল ব্যাংকের এই শাখায়। ব্যাংকে এসেছেন কাজকর্ম মিটতে বেশ সময় গিয়েছে। প্রতিদিন কাজের চাপে নিজের জন্য সময় করে উঠতে পারছেন না। এদিকে ব্যাংকে এসে কাজের ফাঁকে বেশ খানিকটা ফুরসৎ মিলেছে। একদম তা নষ্ট না করে নিজের জন্য ব্যয় করুন। এবার ভাবছেন কীভাবে করবেন? চিন্তাভাবনার কিছু নেই ফেডারেল ব্যাংকের রাজারহাট শাখা গ্রাহকদের জন্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করেছে। যেকোনও সময় এই মেশিনে নিজেদের স্বাস্থ্যের হালহকিকত জেনে নিতে পারবেন গ্রাহকরা।

নতুন শাখার উদ্বোধনে এদিন উপস্থিত ছিলেন অ্যাপোলো গ্লেনিগেলস হাসপাতালের ডিরেক্টর ডক্টর মহেশ গোয়েঙ্কা। ফেডালের ব্যাংক কলকাতার জোনাল হেড তথা ভাইস প্রেসিডেন্ট শ্রী দিলীপ বি। সিইও তথা এমডি শ্রী শ্যাম শ্রীনিবাসন। সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা নেটওয়ার্ক হেড শ্রী নন্দকুমার ভি। ফেডারেল ব্যাংক কলকাতার ডেপুটি ভাইস প্রেসিডেন্ট তথা রিজিওনাল হেড শ্রী সজন কেপি। ব্যাংক ম্যানেজার ও ব্রাঞ্চ প্রধান শুভ্রশেখর দাস। রিয়েলটেক নির্মাণের ডিরেক্টর শ্রী শিশির গুপ্ত ও শ্রী এসকে নাসির। রাজারহাট পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি শ্রী প্রবীর কর। রাজারহাট বিষ্ণুপুর এক নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন প্রধান শ্রী সব্যসাচী দত্ত। এছাড়াও ছিলেন বিধাননগর কমিশনারেটের এডিসিপি শ্রীমতী অনুরাধা মণ্ডল।

Post Author: bongmag

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।