Kolkata

মায়ের জন্মদিনে সুরেলা সন্ধ্যা, কথায় গানে বৈঠকী আড্ডায় আরজে শ্রী

বসন্ত মানেই প্রেমের যাপন। আর এই প্রেম তো শুধু দুটি মানুষের মধ্যে হতে পারে না। সময় বিশেষে প্রেমের ধরণ বদলায়। আমার প্রিয় দক্ষিণের জানলা যেমন, দাদুর বাড়িতে বেড়াতে গেলেই মনে হত প্রেমিকার কাছে চলেছি। আমার সবটুকু ভালবাসা দখল করেছিল ওই জানলা। ফাগুন এলেই কৃষ্ণচুড়া একেবারে সেজেগুজে আমার সঙ্গে দেখা করতে আসত। জানলার বাইরেই তার অবস্থান। বাগানের গাছাগাছালির মাঝে একেবারে লাল টুকটুকে রাঙাবউ। এ-তো প্রেম। মায়ের প্রতি সন্তানের ভালবাসা বিশ্বজনীন। মা-মানেই আঁচলে হলুদের দাগ, মা মানেই ভরসার কোল। যেখানে মাথা রাখলে দুঃখও বলে, তোকে ছুটি দিলাম। মা আবার দেশের মাটিও। যার টানে নির্ভাবনায় জীবন দিতে তৈরি হয়ে যা বিপ্লবী ছেলেরা। মায়ের শিকল বাঁধা পা দেখতে কেই বা চায় বলুন। সেই মায়ের জন্মদিনেই গানে কথায় বৈঠকী আড্ডা।

এ যেন জমিদারবাড়ি, রিয়েলটেকের প্রকল্পে রাজারহাটে এবার ফেডারেল ব্যাংক

রিয়েল এস্টেট ব্যবসায় উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করছে রিয়েলটেক নির্মাণ প্রাইভেট লিমিটেড। তাদের প্রতিটি প্রকল্পই দারুণভাবে সফল, একথা বলতেই হবে। এবার রিয়েলটেকে প্রকল্পের জমিতেই তৈরি হল ফেডারেল ব্যাংকের শাখা। রাজারহাটে ফেডারেল ব্যাংক তার ১৮-তম শাখাটি খুলেছে রিয়েলটেক-এর নয়া প্রকল্প চৌরাস্তার জমিদারি-তে। হ্যাঁ জমিদারিই বটে, কেননা ব্যাংক যদি আদ্যপান্ত জমিদারবাড়ি হয়, তাতে তো কোনও ক্ষতি নেই। বরং বেশ আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে তা নিঃসন্দেহে বলা যায়। শহর কলকাতায় ফেডারেল ব্যাংক কোনও নতুন নাম নয়, তবে এর পরিষেবা যিনি একবার গ্রহণ করেছেন, তাঁর কাছে ফেডারেল ব্যাংকের থেকে প্রিয় কিছুই হতে পারে না। এনআরআই বাঙালির আত্মজন এই ফেডারেল ব্যাংক। আর রাজারহাট শাখাটি তো হবহু ব্যাংক নয় একেবারে খানদানি জমিদারবাড়ি। মনই চাইবে একবার ঢুকে পড়ি। চলুন দেখে আসি, ফেডারেল ব্যাংকের এই শাখায় ঠিক কি কি সুবিধা থাকছে।